PEDRO PARDO / AFP

সিপিজে নিরাপত্তা উপদেষ্টাঃ কোরোনা ভাইরাস জনিত প্রাদুর্ভাব নিরসন

সাম্প্রতিকতম সংযোজন ২৫ শে মার্চ, ২০২০

মার্চ মাসের ১১ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউ এইচ ও) কোভিড – ১৯ (নব্য কোরোনা ভাইরাস) জনিত প্রাদুর্ভাবকে পৃথিবীব্যাপী ঘোষণা করেছে, এবং ডাব্লিউ এইচ ও -এর মতানুসারে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বিশ্ব ব্যাপী বেড়ে চলেছেজন হপকিংস ইউনিভার্সিটি কোরোনা ভাইরাস রিসার্চ সেন্টার -টি প্রাদুর্ভাব জনিত সাম্প্রতিকতমঅগ্রগতির বিষয়ে জানার জন্য একটি সুরক্ষিত এবং নির্ভরযোগ্য সংস্থান ।

এই ভাইরাসের বিষয়ে এবং এর সাথে সংগ্রাম করতে সরকার কি কি উদ্যোগ নিচ্ছেন সে বিষয়ে সর্বসাধারণকে অবগত করতে সমগ্র বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকগণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন । এর অর্থ এই যে সংবাদ মাধ্যমের সদস্যরা তাদের ভ্রমণ, সাক্ষাৎকারনেওয়া, এবং যে সকল স্থানে কাজের সূত্রে তারা যাচ্ছেন তাতে প্রায়শই তাদের সংক্রমণের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে । 

যেভাবে ক্রমাগত পরিস্থিতির উদ্ভব হচ্ছে এবং নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে, সেক্ষেত্রে সাম্প্রতিকতম স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ এবং প্রাদুর্ভাব জনিত খবরাখবর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ -এর কাছ থেকে পাওয়া যাবে । যে সকল সাংবাদিকগন এই প্রাদুর্ভাব সম্পর্কিত খবর করছেন তারা সাম্প্রতিকতম পরামর্শের জন্য এবং বিধিনিষেধ সম্পর্কে অবহিত করতে অবশ্যই ডাব্লিউ এইচ ও –র এবং তাদের স্থানীয় স্বাস্থ্য দপ্তর দ্বারা পরিবেশিত তথ্যের দিকে নজর রাখবে ।

ময়দানে সুরক্ষিত থাকা

যেহেতু আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ওপর সুদূরপ্রসারী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ সংবাদমাধ্যমগুলি আশু ভবিষ্যতে ঘরোয়া ভিত্তিক সংবাদ সংগ্রহে নিযুক্ত হবে । সামান্য বিজ্ঞপ্তি বা কোন বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই সকল প্রকার নিয়োগ পরিবর্তিত অথবা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, যেহেতু ক্রমাগত এবং দ্রুত পরিস্থিতির উদ্ভব হচ্ছে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে ।

যারা কোভিড – ১৯ -এর প্রাদুর্ভাবের খবর করতে আগ্রহী তারা অবশ্যই নিম্নলিখিত সুরক্ষা জনিত তথ্যগুলি বিবেচনায় রাখবেনঃ

প্রাক – নিয়োগ

  • আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ‘সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ (সি ডি সি) –এর মতে, বয়স্ক নাগরিক এবং দুর্বল স্বাস্থ্যের মানুষদের বিপদের সম্ভাবনা সর্বাধিক । যদি আপনি এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হন, আপনি কোন ভাবেই সেরকম কোন কাজে নিযুক্ত হবেন না যেখানে আপনাকে সাধারন জনগনের সরাসরি সংস্পর্শে যেতে হয় । গর্ভবতী কর্মীদের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি বিবেচ্য হবে ।
  • কোভিড – ১৯ -এর প্রাদুর্ভাবের প্রতিবেদনের জন্য যখন কোন কর্মী নির্বাচন করা হবে, সেক্ষেত্রে পরিচালকবর্গ কোন নির্দিষ্ট জাতির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের বিষয়টি মাথায় রাখবে, যেরকম ‘বাজফিড’ এবং আড্ডিস আবাবা –এ অবস্থিত আমেরিকান দূতাবাস কর্তৃক দৃষ্টিগোচরে আনা হয়েছে, যারা দেশে অবস্থিত বিদেশীদের ওপর ঘটে যাওয়া বিদ্বেষমূলক এবং হিংসাত্মক ঘটনা সম্পর্কে সাম্প্রতিককালে সতর্কতা জারি করেছে । যত এই প্রাদুর্ভাবের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবে তত এই জাতীয় ঘটনা আরও সামনে আসতে থাকবে ।
  • আপনার পরিচালকবর্গের কি পরিকল্পনা আছে আপনাকে সাহায্য করার যদি আপনি তাদের দ্বারা নিযুক্ত কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন, সে বিষয়ে তাদের সাথে আলোচনা করুন, এক্ষেত্রে বর্ধিত সময়ব্যাপী সেলফ-আইসোলেশন, এবং/ অথবা কোয়ারেন্টাইন/ লকডাউন -এর মধ্যে আটকে পড়ার সম্ভাবনা অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে ।

মানসিক সুস্থতা

  •  আপনার পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন এবং / অথবা চিন্তিত থাকতে পারেন যদি আপনি কোভিড – ১৯ -এর প্রাদুর্ভাবের প্রতিবেদন করার বিষয়ে মনস্থ করেন ।তাদের উদ্বেগ এবং এই কাজের ঝুঁকির বিষয়টি নিয়ে তাদের সাথে আলোচনা করুন । যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে পরিবারের সদস্যদেরকে সংস্থার স্বাস্থ্য উপদেষ্ঠা মণ্ডলীর সাথে কথা বলিয়ে দিন ।
  • কোভিড – ১৯ -এ আক্রান্ত কোন স্থানে গিয়ে প্রতিবেদন করার সম্ভাব্য মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনা করুন, বিশেষত যদি কোন চিকিৎসা কেন্দ্র বা বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থায় থেকে প্রতিবেদন করতে হয় । অসুস্থ পরিবেশে খবর করতে সংবাদ কর্মীদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় সংস্থান পাওয়া যাবে ‘দ্য ডার্ট সেন্টার ফর জার্নালিজম অ্যান্ড ট্রউমা’ –এর মাধ্যমে ।

সংক্রামিত হওয়া এবং অপরকে সংক্রামিত করা থেকে বিরত থাকা

বহু দেশ বর্তমানে সামাজিক/ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রক্রিয়াটি অনুশীলন করতে শুরু করেছে । কোন স্বাস্থ্য পরিসেবা কেন্দ্র, বৃদ্ধাবাস, কোন অসুস্থ্য ব্যক্তির বাড়ি, মর্গ, কোন কোয়ারেন্টাইন অঞ্চল, কোন অধিক জনবসতিপূর্ণ শহুরে অঞ্চল ( যেমন বস্তি বা ঘিঞ্জি বস্তি), কিম্বা পশুর বাজার এবং/ অথবা পশু খামার, প্রভৃতি স্থানে যাওয়ার পূর্বে সেখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পর্কে যথাযথ খোঁজ খবর নেওয়া আবশ্যক । যদি কোন প্রকার সংশয় থাকে, সেখানে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন । সংক্রমন এড়ানোর প্রামান্য সুপারিশ গুলি হলঃ

  • সকলের থেকে ন্যুনতম ২ মিটারের দূরত্ব বজায় রাখা, বিশেষত যদি কেউ শ্বাসপ্রশ্বাসের অসুখে আক্রান্ত থাকে, যেমন হাঁচি ও কাশি হচ্ছে, এরকম কেউ আশেপাশে থাকলে বিশেষভাবে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন
  • সাংবাদিকগন যখন বয়স্ক মানুষদের, যারা শারীরিক ভাবে অসুস্থ, যাদের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে তাদের নিকটাত্মীয় কেউ, যে সকল স্বাস্থ্যকর্মী কোভিড – ১৯ দ্বারা আক্রান্ত রোগীর সেবা করছেন, অথবা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে কর্মরত মানুষদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তখন তাদের অবশ্যই ন্যুনতম সুরক্ষিত দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে সতর্ক থাকা আবশ্যক
  • আপনার প্রতিদিন, নিয়মানুযায়ী, এবং যথাযথ উপায়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে উষ্ণ জল ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়া আবশ্যক । হাত শুকানোর পদ্ধতিটি যে যথাযথ হয়েছে তাও নিশ্চিত করতে হবে ।  কিভাবে হাত ধোয়া ও শুকানো উচিত সে বিষয়ে খুব উপকারী নির্দেশিকা ডাব্লিউ এইচ ও –র ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে
  • অ্যান্টি – ব্যাকটেরিয়াল জেল ব্যবহার করে পরিষ্কার করা যেতে পারে যদি উষ্ণ জল ও সাবান কাছে না থাকে, কিন্তু তার পরে যত শীঘ্র সম্ভব উষ্ণ জল ও সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে । (সি ডি সি –র পরামর্শ হল অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাতে ৬০% এর বেশি ইথানল বা ৭০% এর বেশি আইসোপ্রপানল থাকে) । কোন ভাবেই নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসের পরিবর্তে শুধু হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে না
  •  হাঁচি ও কাশির সময় সর্বদা মুখ এবং নাক ঢেকে রাখা আবশ্যক । যদি কোন টিস্যুতে হাঁচা বা কাশা হয় তাহলে অবশ্যই সেটিকে সঙ্গে সঙ্গেই যথাযথ উপায়ে এবং নিরাপদে নষ্ট করে ফেলতে হবে এবং মনে করে তারপরেই ভালভাবে নিজের হাত যথাযথ উপায়ে ধুয়ে নিতে হবে ।
  • অন্য কারুর ব্যবহৃত কাপ, চিনামাটির থালা বা অন্যান্য যে কোন বাসনপত্র থেকে পান করা বা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
  • কাজ শুরু করার আগে সমস্ত গয়না এবং হাত ঘড়ি খুলে ফেলুন কারণ কোভিড – ১৯ ভাইরাস বিভিন্ন বস্তুর উপরিতলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে সক্ষম
  • যদি আপনি চশমা পরেন, নিয়মিত সেটিকে উষ্ণ জল ও সাবান দিয়ে সাবধানে পরিষ্কার করবেন
  •  খেয়াল রাখতে হবে কোন পোশাক পরা হচ্ছে, মনে রাখতে হবে যে কিছু কাপড় সহজেই পরিষ্কার করা যায় অন্যান্য কাপড়ের থেকে । যে কোন কাজ থেকে ফেরার পর ডিটারজেন্ট সহযোগে অধিক উষ্ণ জলে সমস্ত কাপড় ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
  • আপনি যে যানবাহন ব্যবহার করে কাজে যাচ্ছেন এবং ফিরছেন সেটা মাথায় রাখতে হবে । ভিড়ের মধ্যে যাতায়াত এড়িয়ে চলুন এবং নামার পর অ্যালকোহল জেল ব্যবহার করে হাত অবশ্যই ধুয়ে নেবেন । যদি আপনি নিজের গাড়িতে যান, সেক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে যে কোন সংক্রামিত ব্যক্তি অন্যদের মধ্যে গাড়ির ভেতরেও ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারে ।
  • নিয়মিত বিরতি নিন কাজের ফাঁকে, এবং শরীরের অবসাদ বা ক্লান্তির দিকটি খেয়াল রাখবেন, মনে রাখতে হবে ক্লান্ত মানুষের স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে অধিক ভুল ভ্রান্তি ঘটে । যাদের অনেক পথ কাজে যেতে ও ফিরতে পাড়ি দিতে হয় সেটাও খেয়াল রাখতে হবে
  •  কোন সংক্রামিত স্থানে যাওয়া, থাকা কালীন এবং ফেরার আগে ও পরে উষ্ণ জল ও সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধুয়ে নেওয়াটি সুনিশ্চিত করতে হবে
  •  যদি আপনার রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়, প্রধানত জ্বর আর শ্বাস কষ্ট, সেক্ষেত্রে চিকিৎসা পাওয়ার বিষয়টি আপনাকে ভাবতে হবে । বেশিরভাগ সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা গুলি বর্তমানে সেলফ – কোয়ারেন্টাইন সুপারিশ করছে, যাতে সে অন্যদের সংক্রামিত করতে না পারে । আপনি যদি অধিক সংক্রামিত অঞ্চলে থাকেন, সেক্ষেত্রে সংক্রামিত ব্যক্তির ভিড় যুক্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গেলে আপনার সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় ।
  • শুধুমাত্র রান্না করা মাংস এবং ডিম খাবেন

উপকরণের নিরাপত্তা

  • ক্লিপ মাইক –এর বদলে ডিরেকশনাল ফিসপোল মাইক্রোফোন নিরাপদ দূরত্ব থেকে ব্যবহার করুন
  • প্রতিটি কাজের শেষে মাইক্রোফোনের কভার ভাল করে ধুতে হবে এবং জীবাণুনাশক করতে হবে । কিভাবে নিরাপদ ভাবে কভার খুলবেন সে বিষয়ে সহায়তা/ ট্রেনিং চান, যাতে এর থেকে সংক্রমণ হওয়া রোধ করা যায়
  • সমস্ত উপকরণ দ্রুত কাজ করে এমন অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল পদার্থ যেমন মেলিসেপ্টল দ্বারা সংক্রামন মুক্ত করুন, এরপর সেলফোন, লেড, প্লাগ, ইয়ারফোন, ল্যাপটপ, হার্ড ড্রাইভ, ক্যামেরা, প্রেস এর পাস, ঝোলানোর রিবন, ইত্যাদি সবকিছু ভাল ভাবে জীবাণু মুক্ত করবেন
  • ফিরে এসে পুনরায় সমস্ত উপকরণকে জীবাণু মুক্ত করতে হবে, মাথায় রাখতে হবে এই উপকরণের দায়িত্বে থাকা কর্মী যেন কিভাবে উপকরণ জীবাণু মুক্ত করবে সে বিষয়ে ওয়াকিবহাল থাকে এবং প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয় । কোন উপকরণ, পরিষ্কারের দায়িত্বে থাকা কর্মীর হাতে না পৌঁছে, এদিক ওদিক ফেলে রাখা না হয় সেটা সুনিশ্চিত করতে হবে ।
  • কোন জীবাণু নাশক যদি আপনার কাছে না থাকে, সেক্ষেত্রে মনে রাখবেন যে সরাসরি সূর্যালোক ভাইরাস মেরে ফেলে । তাই এমন অবস্থায় যখন আপনার কাছে অন্য উপায় নেই, উপকরণগুলিকে সরাসরি সূর্যালোকে বহুক্ষণের জন্য ফেলে রাখুন । মনে রাখতে হবে সেক্ষেত্রে উপকরণগুলির রঙ নষ্ট হতে পারে বা তার ক্ষতি হতে পারে 
  •   যদি কাজের জন্য গাড়ি ব্যবহার করা হয় তাহলে অবশ্যই যেন ফিরে আসার পর গাড়ির ভেতরের অংশ সঠিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মী দ্বারা ভাল ভাবে পরিষ্কার করা হয় তা সুনিশ্চিত করতে হবে । বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে গাড়ির দরজার হাতল, স্টিয়ারিং হুইল, সামনের কাঁচ, হেলান দেওয়া সীটের অংশ, সীট বেল্ট, ড্যাশবোর্ড, এবং জানলা,  উইন্ডার/ ক্লাচ/ বোতাম

Personal Protective Equipment (PPE)

ব্যক্তিগত নিরাপত্তামূলক সরঞ্জাম (পি পি ই)

  • যে কোন পি পি ই (যেমন একবার ব্যবহার যোগ্য দস্তানা, মুখের মাস্ক, নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্রন, এবং একবার ব্যবহার যোগ্য জুতোর কভার) পরা এবং খোলার ক্ষেত্রে ভীষণ সতর্কতার সাথে নজর রাখতে হবে এবং সবচেয়ে সুরক্ষিত উপায়ে কাজটি করতে হবে । অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন সি ডি সি থেকে সাধারন সহায়তা পেতে । এসব থেকে সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি, সুতরাং এই নিরাপত্তার ক্ষেত্রটি কোন ভাবেই হাল্কা ভাবে নেবেন না ।
  • যদি কোন সংক্রামিত স্থানে যেমন মর্গ বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কাজ করেন, আপনার একবার ব্যবহার যোগ্য জুতোর কভার বা ওয়াটারপ্রুফ শু-কভার ব্যবহার করতে হতে পারে, দুটোই আপনাকে ওই স্থান ত্যাগ করার পরই ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে । যদি আপনি ওয়াটারপ্রুফ শু-কভার ব্যবহার করেন তাহলে সেটাকে সুরক্ষিত ভাবে নষ্ট করে ফেলতে হবে ওই স্থান ত্যাগ করার পূর্বে, আর কখনই যাতে ওটা আবার ব্যবহার না করা হয় ।
  • কোন সংক্রামিত স্থানে যেমন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গেলে বা কাজ করলে নিরাপত্তা হিসেবে দস্তানা ব্যবহার করতে হবে । অন্যান্য চিকিৎসায় ব্যবহার্য সামগ্রী যেমন বেবি স্যুট বা পুরো মুখের মাস্কও প্রয়োজন হতে পারে ।

মুখের মাস্ক

  • সি ডি সি এবং ডাব্লিউ এইচ ও এ বিষয়ে সহমত হয়েছে যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়নি এরূপ ব্যক্তির মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই, যতক্ষণ না স্থানীয় প্রশাসন তা করতে বলে; আপনি কোন অতি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে আছেন যেমন হসপিটাল, বা আপনি কোভিড – ১৯ আক্রান্ত কোন ব্যক্তির সেবায় নিযুক্ত আছেন । মনে রাখবেন যে আনেক দেশে সারজিকাল পি পি ই –এর সরবরাহ খুব কম, তাই সেই সরঞ্জাম ব্যবহার করলে তার ঘাটতি দেখা দেবে ।যদি আপনি মাস্ক পরেন তাহলে নিম্নলিখিত পরামর্শ গুলি মনে রাখবেনঃ
  • যদি প্রয়োজন হয়, স্ট্যান্ডার্ড সারজিকাল মাস্ক এর পরিবর্তে এন – ৯৫ মাস্ক ( বা এফ এফ পি ২ / এফ এফ পি ৩) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে । খেয়াল রাখতে হবে যাতে মাস্কটি ভালভাবে নাক ও থুৎনি তে এঁটে যায়, খুব কম ফাঁক থাকে । নিয়মিত দাড়ি কাটা বাঞ্ছনীয় ।
  •  মাস্ককে স্পর্শ করবেন না, স্ট্র্যাপটি ধরে খুলবেন । কখনই মাস্কের সামনের অংশ স্পর্শ করবেন না ।
  • মাস্কটি স্যাঁতস্যাঁতে হলে বা ভিজে গেলে তার পরিবর্তে নতুন, পরিষ্কার এবং শুকনো মাস্ক ব্যবহার করুন
  • কখনও মাস্ক পুনঃব্যবহার করবেন না এবং সেটিকে সাথে সাথেই সিল করা ব্যাগে ভরে নষ্ট করে দেবেন
  •  মনে রাখবেন মাস্ক হল আপনার সুরক্ষার একটি মাত্র অংশ, যার সাথে অবশ্যই আপনাকে উষ্ণ জল ও সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে এবং মুখ, চোখ, মুখের চারপাশ, কান এবং নাকে কখনই হাত দেবেন না
  • তুলো বা গজ -এর মাস্ক কখনই কোন অবস্থাতে ব্যবহার করবেন না
  • এই বিষয়ে সতর্ক থাকুন যে মুখের মাস্ক এর সরবরাহ আপনার এলাকা ভিত্তিক কমে যেতে পারে এবং এর দামও বাড়তে পারে

ডিজিটাল সুরক্ষা

  • সাংবাদিকরা সতর্ক থাকুন কোভিড – ১৯ জনিত প্রাদুর্ভাব নিয়ে অনলাইনে রিপোর্টের যে আধিপত্য দেখা যাচ্ছে তার সূত্রের সততা নিয়ে । এইসব ভুল তথ্যের হাত থেকে রক্ষা পেতে আপনি সি পি জে –এর বেস্ট প্র্যাকটিসের পর্যালোচনা করতে পারেন
  •  সরকার ও বিভিন্ন প্রযুক্তি কম্পানির তত্ত্বাবধানে কোভিড – ১৯ এর ছড়িয়ে পড়াকে চিহ্নিত করে রাখছে । এর মধ্যে এন এস ও গ্রুপ পেগাসাস তৈরি করেছে, সিটিজেন ল্যাব –এর সূত্রানুযায়ী, একটি স্পাইওয়্যার যা ব্যবহৃত হচ্ছে সাংবাদিকদের জন্য । সিভিল লিবারটিজ গ্রুপ ভীষণ ভাবে উদ্বিগ্ন, এই স্বাস্থ্য সংকট থেকে মুক্তি লাভের পর কিভাবে এই নজরদারির প্রযুক্তিকে নির্দিষ্ট মানুষের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে । ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল তাদের ওয়েবসাইটে এর অগ্রগতিকে চিহ্নিত করছে ।
  • যখন আপনি কোভিড – ১৯ সংক্রান্ত কোন তথ্যের লিংক ক্লিক করছেন বা ডাউনলোড করছেন, তার পূর্বে একটু থামুন এবং ভাবুন । ইলেকট্রনিক ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশনের মতে, বর্তমান স্বাস্থ্য সংকটের মুহূর্তে কিছু দুষ্কৃতি লাভবান হচ্ছে এবং সংগঠন বা সাধারন মানুষকে পরিশীলিত মেকি আক্রমন শানাচ্ছে আতঙ্ক ছড়িয়ে, এবং আপনার ডিভাইসে ম্যালওয়্যার ইন্সটল হয়ে যাচ্ছে ।
  • বিধিসম্মত সতর্কীকরণ যে, সোশ্যাল মিডিয়া বা ম্যাসেজিং অ্যাপে যে কোভিড – ১৯ সংক্রান্ত লিংক আসছে, তা ক্লিক করার সাথে সাথেই আপনার ডিভাইসকে ম্যালওয়্যারটি সরাসরি আক্রান্ত করতে পারে
  • মানচিত্রে কোভিড – ১৯ –এর সাম্প্রতিকতম তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এমন বিশ্বাসযোগ্য সূত্র, যেমন ডাব্লিউ এইচ ও –ও কোন ম্যালওয়্যার হতে পারে যা আপনার পাসওয়ার্ড চুরি করে নিচ্ছে বলে রিপোর্ট করা হয়েছে
  • দ্য গার্ডিয়ান –এর রিপোর্ট অনুযায়ী কিছু রাজ্যও যে ভুল তথ্য দিচ্ছে সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন, এছাড়াও কিছু সাধারন ভুল তথ্যও আছে, যার সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে ডাব্লিউ এইচ ও –ও সতর্ক করেছে এবং যেটা বি বি সি –ও নজরে এনেছে । এছাড়া ডাব্লিউ এইচ ও –র ওয়েবসাইটে মিথ বাস্টার গাইড উপলব্ধ আছে ।
  • কোভিড – ১৯ –এর সম্পর্কে যে সব ভুল তথ্য ম্যাসেজিং অ্যাপে আসছে সেগুলি হয়ত জাল খবর বা ধাপ্পাবাজিও হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন ।
  • এছাড়াও আপনি অবগত থাকুন যে বর্তমানে ফেসবুকে কোভিড – ১৯ –এর সম্পর্কিত কোন বিষয়বস্তু মানব দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স –এর (এ আই) মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে, যেটা এই রোগ সংক্রান্ত কোন সঠিক তথ্যকেও ভুল করে মুছে দিচ্ছে
  • এছাড়াও সতর্ক থাকুন যদি আপনি কিছু একনায়কতান্ত্রিক দেশগুলোতে  প্রতিবেদন করতে যান,  কোভিড – ১৯ –এর প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে খুব কাছ থেকে নিরীক্ষণ করা হচ্ছে, যেটা আপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । সি পি জে এই বিষয়টি সামনে এনেছে যে কিছু সরকার এই রোগের প্রাদুর্ভাবকে লুকোনোর প্রচেষ্টা করছে আর সেইমত সংবাদ মাধ্যমকে সেন্সর করে দেওয়া হয়েছে ।

অ্যাসাইনমেন্টের সময় শারীরিক নিরাপত্তা

  • যে সমস্ত সাংবাদিকরা কোন সংশোধনাগার বা ডিটেনশন কেন্দ্র থেকে রিপোর্ট করবেন, তারা তাদের আশেপাশে যারা এই প্রতিবাদ বা দাঙ্গা করছে কোভিড – ১৯ –এর ছড়িয়ে পড়া নিয়ে, সেখান থেকেও বিপদ্গ্রস্থ হতে পারেন । যা সাম্প্রতিক কালে কলোম্বিয়া, ইতালিভারতে দেখা গেছে ।
  • সি পি জে দৃষ্টিগোচরে এনেছে যে একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্র গুলিতে কোভিড – ১৯ –এর প্রাদুর্ভাব নিয়ে রিপোর্ট করতে যাওয়া সাংবাদিকদের অনেক সময় ডিটেনশন বা আটক করা হচ্ছে ।

আন্তর্জাতিক ভ্রমণ অ্যাসাইনমেন্ট

বিশ্বব্যাপী ভ্রমণে সীমাবদ্ধতার কারণে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ এখন খুবই সমস্যার এবং দিন দিন বিরল হয়ে যাচ্ছে । যদি বিদেশে কোন অ্যাসাইনমেন্ট থাকে তাহলে নিচে দেওয়া বিষয়গুলি মেনে চলতে হবেঃ

  • আপনার গন্তব্যে পৌঁছে ভাল থাকার জন্য সব সংক্রামিত রোগের টিকাকরণ অবশ্যই করিয়ে নিতে হবে । ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা আপনাকে নিতে হবে যাতে আপনার মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে ।
  • আপনার যেখানে উপস্থিত হওয়ার পরিকল্পনা আছে, সেখানে যাওয়ার আগে পরিস্থিতি যাচাই করুন । কারণ বেশিরভাগ দেশ জনসমাবেশ বা নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক লোকের বেশি জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ করেছেন ।
  • আপনার অভিপ্রেত গন্তব্যের যে বর্তমান এবং আগামী ভ্রমণের পরিকল্পনা আছে সেগুলি নিষিদ্ধ হয়েছে কিনা তার খবর যাচাই করে নেবেন । এছাড়াও বিদেশীদের ভ্রমণকে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে বিশ্বব্যাপী সংক্রমণের ঘটনা বেড়ে চলায় ।
  •  আপনার কোন জায়গায় আকস্মিক যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে এটা মনে রাখবেন বিভিন্ন শহরের কেন্দ্র, নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল বা সমস্ত দেশটাই কিছুক্ষণের জন্য বা কোন পূর্ব নোটিশ ছাড়াই লকডাউন বা কোয়ারেন্টাইন হতে পারে ।  বিশ্বব্যাপী কিছু সংস্থা এবং নিয়োগ কর্মীরা তাদের কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছেন । 
  • বেশিরভাগ দেশের বর্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে । এছাড়াও কিছু দেশ বন্ধ করার দিকে এগোচ্ছে, যেটা আপনার পরিকল্পনাকে অনিশ্চিত করে দিতে পারে ।
  • যদি আপনি অসুস্থ থাকেন তাহলে আপনি ভ্রমণ করবেন না । বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক বা আন্তঃদেশীয় বিমানবন্দর এবং পরিবহনের ক্ষেত্রগুলিতে কঠোর ভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষণ হচ্ছে । ভ্রমণকারীদের এই পরীক্ষণের মুখোমুখি হতে হচ্ছে এবং জোর করে কোয়ারেন্টাইন বা সেলফ আইসোলেশনে পাঠানো হচ্ছে
  • বিভিন্ন বিমান সংস্থা তাদের বিমান বাতিল করার ফলে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণের সুযোগ ব্যাপক ভাবে কমে গেছে । কোভিড – ১৯ –এর  সংক্রমণের পরিমাণ বাড়লে বিমান বাতিলের সূচী আরও বাড়বে ।
  • আপনাকে পুরো ফেরতযোগ্য বিমানের টিকিট কাটতে হবে । আই এ টি এ -এর মতে কোভিড – ১৯ –এর ফলে এয়ারলাইন্সে আর্থিক মন্দাও আসতে চলেছে, ইউরোপের সব থেকে বড় বিমান সংস্থা ‘ফ্লাইবি’ –এর সাম্প্রতিক পতন তার মধ্যে অন্যতম ।
  •  কিছু অত্যাবশ্যকীয় জিনিস আপনাকে সাথে নিয়ে যেতে হবে । কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসের যেমন মুখের মাস্ক, সাবান, ক্যান বন্দী খাবার, এবং টয়লেট পেপারের ঘাটতি বিভিন্ন জায়গা থেকে রিপোর্ট করা হয়েছে প্যানিক হয়ে জিনিস কেনার ফলে । কোভিড – ১৯ -এর সংক্রমন বেড়ে যাওয়ার কারণে আপনার গন্তব্যে ধর্মঘট এবং কর্মীর অভাব দেখা যেতে পারে ।
  • জর্ডনের মত যেসব দেশে সীমিত জল সরবরাহ হয় সেখানে আরও চাহিদা বাড়ার কারণে স্বল্পতা দেখা দিতে পারে ।
  •  বিভিন্ন দেশ ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে এবং কিছুদিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে যে ভিসাগুলি ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে । তাই সাম্প্রতিক কালে আপনার গন্তব্যের ভিসার অবস্থা দেখে নেবেন ।
  • দেখে নেবেন আপনার গন্তব্য দেশের আপনার যে কোভিড – ১৯ হয়নি তার প্রমান স্বরূপ কোন মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগবে কিনা । কিছু উদাহরণ এখানে পাবেন
  • অবশ্যই আপনার ভ্রমণ সূচী নমনীয় রাখবেন কারণ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিমান বন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষণ এবং দেহের তাপমাত্রা দেখার জন্য বেশ কিছু সময় লাগবে । প্রতিটি স্টেশনে, ডকে এবং দূরগামী বাস টারমিনাস গুলোতে একই ঘটনা ঘটবে ।
  • আপনার যেখানে পৌঁছনোর কথা সেখানকার বিভিন্ন পরিবর্তনের বিষয়ে খোঁজ রাখুন । মনে রাখুন কিছু দেশ বিদেশীদের শুধুমাত্র কয়েকটি এয়ারপোর্ট এবং টার্মিনালে ঢুকতে দিচ্ছে ।
  • আপনি যে দেশে গেছেন সেখানে আন্তঃশহর চলাফেরায় কোন সীমাবদ্ধতা জারি করেছে কিনা তা জানতে সর্বদা স্থানীয় সংস্থানকে কাজে লাগান ।

অ্যাসাইনমেন্ট পরবর্তী

  • আপনার ক্রমাগত স্বাস্থ্যের নিরীক্ষণ করতে হবে যদি কোন চিহ্ন বা লক্ষণ দেখা যায় ।
  • আপনি যদি কোন অতি সংক্রামিত জায়গা থেকে ফেরেন তাহলে অবশ্যই সেলফ – আইসোলেশনে যাবেন । দয়া করে সম্পর্কিত সরকারি আদেশ দেখে নেবেন ।
  • কোভিড – ১৯ সংক্রান্ত সাম্প্রতিকতম অবস্থা এবং তথ্যের নিরীক্ষণ করুন, এছাড়াও কোন কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনের ঘটনা ঘটছে কিনা আপনার এলাকায় এবং আপনার গন্তব্যে সেটাও দেখুন ।
  • আপনি যে দেশে আছেন সেখানকার সংক্রামিত হবার হার অনুযায়ী, আপনাকে একটা নথি রাখতে হবে, যেখানে আপনি এই চৌদ্দ দিনে যাদের সংস্পর্শে এসেছেন তাদের নাম/ নাম্বার গুলি থাকবে । আপনার মধ্যে কোন লক্ষণ দেখা দিলে এটা সম্ভাব্য তালিকা তৈরিতে সাহায্য করবে ।

… যদি আপনার মধ্যে লক্ষণ দেখা যায়

  • যদি আপনার মধ্যে কোভিড – ১৯ –এর কোন লক্ষণ দেখা যায় বা তৈরি হয়, সেটা খুব কম হলেও আপনি আপনার ম্যানেজমেন্ট টীমকে জানাবেন, এবং তার সাথে যথাযথ পরিবহনে এয়ারপোর্ট বা কোন টারমিনাস থেকে বাড়ি ফিরবেন । কোন ট্যাক্সি করে নয়
  • অবশ্যই ডাব্লিউ এইচ ও, দ্য সি ডি সি, এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য আধিকারিকের নির্দেশ মেনে চলবেন । এবং নিজেকে ও সমাজকে সুরক্ষিত রাখবেন । 
  • যখন থেকে আপনার লক্ষণ শুরু হয়েছে, তখন থেকে অন্ততঃ ৭ দিন বাড়ির বাইরে বেরবেন না । এটা আপনার সমাজকে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবে ।
  • পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোবেন ও অন্যদের সাহায্য নেবেন । আপনার অত্যাবশ্যকীয় জিনিসের জন্য আপনার কর্মকর্তা, বন্ধু এবং পরিবারের লোকেদের সাহায্য নেবেন এবং তাদের বাড়িতে ঢুকতে দেবেন না ।
  • যতটা সম্ভব হয় বাড়ির লোকেদের থেকে ২ মিটার দূরে থাকবেন ।
  •  সম্ভব হলে একা শোবেন ।
  • যদি আপনাকে অন্যের সাথে থাকতে হয় তাহলে সবাইকে ১৪ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে । এই ক্ষেত্রে এখানে একটি নির্দেশ দেওয়া হল । অবশ্যই যখন বাথরুম, টয়লেট, ও রান্নাঘর ব্যবহার করবেন, তখন কিছু নির্দেশ মেনে চলতে হবে যাতে সংক্রমণ আপনার থেকে ছড়িয়ে না পড়ে ।
  • সবসময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান ও উষ্ণ জলে হাত ধোবেন ।
  • যাদের মধ্যে খুব সহজেই সংক্রমন ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেমন বয়স্ক মানুষ, যারা স্বাস্থ্যের দিক থেকে দুর্বল তাদের থেকে দূরে থাকবেন ।
  • যদি আপনার আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় শারীরিক অবনতি না হয় তাহলে স্বাস্থ্য আধিকারিককে ফোন করার দরকার নেই ।

সি পি জে অনলাইনে ‘সেফটি কিট’ দিচ্ছে যাতে কিছু প্রাথমিক সুরক্ষার তথ্য যেমন শারীরিক, ডিজিটাল এবং মানসিক তথ্যের সাধন ও সংস্থান রয়েছে সাংবাদিক এবং নিউজ রুমে যারা থাকবেন তাদের জন্য, এর সাথেই সামাজিক অস্থিরতানির্বাচনের দিকটিও রয়েছে ।